মূল বিষয়ে যান
জনবিকাশJANVIKASH — হোম
আবেদন চলছেকেন্দ্রীয় সরকার

কিষাণ ক্রেডিট কার্ড (KCC) — কৃষকদের জন্য কম সুদে চাষের ঋণ

ভারত সরকার (ব্যাংকের মাধ্যমে)

বিস্তারিত বিবরণ

চাষ, যন্ত্রপাতি কেনা ও চাষের খরচ মেটাতে কৃষকদের সময়মতো ও সস্তায় ব্যাংক ঋণ দেওয়ার প্রকল্প। বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ এবং দুগ্ধ, মৎস্য ও পশুপালনের মতো সহযোগী কাজের খরচও এতে মেটানো যায়।

বছরে ৭% সুদে ঋণ; সময়মতো শোধ করলে সুদ ভর্তুকিতে কার্যকর সুদ মাত্র ৩%, ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। বারবার আবেদন না করে ঘুরন্ত (revolving) ক্যাশ ক্রেডিটের মতো ব্যবহার করা যায়, আর ATM-কাম-ডেবিট কার্ডে টাকা তোলা যায়। ফসল ওঠার সময় অনুযায়ী নমনীয় পরিশোধ।

জমির মালিক, ভাগচাষি, মৌখিক ইজারাদার ও বর্গাদার কৃষক এবং কৃষকদের SHG/JLG আবেদন করতে পারেন। আবেদন বাণিজ্যিক ব্যাংক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক বা সমবায় ব্যাংকে।

এক নজরে

পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ
ভারত সরকার (ব্যাংকের মাধ্যমে)
প্রকল্পের ধরন
কৃষি, ব্যবসা ও ঋণ
কর্মস্থল / এলাকা
সর্বভারতীয়
আবেদনের মাধ্যম
অনলাইন ও অফলাইন
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
সারা বছর আবেদন করা যায়

সুবিধা

  • বছরে ৭% সুদে ঋণ; সময়মতো শোধে সুদ ভর্তুকিতে কার্যকর সুদ ৩%, ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  • বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও অন্যান্য চাষের খরচ
  • দুগ্ধ, মৎস্য ও পশুপালনের মতো সহযোগী কাজের খরচ
  • ফসলের মরসুম অনুযায়ী নমনীয় পরিশোধ
  • বারবার আবেদন ছাড়াই ঘুরন্ত ক্যাশ ক্রেডিট
  • ATM-কাম-ডেবিট কার্ড
  • কিছু ক্ষেত্রে ফসলহানি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিমার সুরক্ষা

যোগ্যতা

  • চাষে যুক্ত কৃষক—জমির মালিক, ভাগচাষি, মৌখিক ইজারাদার ও বর্গাদার
  • কৃষকদের স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG) বা যৌথ দায়বদ্ধ গোষ্ঠী (JLG)
  • দুগ্ধ, মৎস্য, মুরগি পালন ও পশুপালনের মতো সহযোগী কাজে যুক্ত কৃষক
  • চাষযোগ্য জমি বা বৈধ চাষের ব্যবস্থা (মালিকানা বা ইজারা)
  • ব্যাংকের ঋণযোগ্যতার শর্ত (পরিশোধের ক্ষমতা ও ঋণের রেকর্ড) পূরণ

প্রয়োজনীয় নথি

  • পরিচয়পত্র
  • ঠিকানার প্রমাণ
  • জমির মালিকানা বা ইজারার নথি
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি

আবেদনের পদ্ধতি

  • বাণিজ্যিক ব্যাংক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক বা সমবায় ব্যাংকের শাখায় যান, বা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করুন
  • ব্যক্তিগত, জমি ও ফসলের তথ্য দিয়ে KCC ফর্ম পূরণ করুন
  • পরিচয়, ঠিকানা, জমির নথি ও ছবি জমা দিন
  • কী ফসল চাষ করেন ও কত টাকা দরকার জানান—এ থেকে ঋণের সীমা ঠিক হয়
  • ব্যাংক যোগ্যতা, ঋণযোগ্যতা ও জমির রেকর্ড যাচাই করে
  • ঋণসীমা মঞ্জুর হলে KCC কার্ড (সাধারণত ATM-কাম-ডেবিট কার্ড) দেওয়া হয়
  • ব্যাংক সাধারণত ৩–৫ বছর অন্তর ঋণসীমা পর্যালোচনা ও নবীকরণ করে

সর্বশেষ আপডেট: ১ নভেম্বর ২০২৬

ভুল তথ্য জানান